কালিয়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগে সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ!

0
8
কালিয়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগে সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ!
কালিয়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগে সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ!

স্টাফ রিপোর্টার

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের জে এ চৌধুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর চারটি শূণ্য পদের নিয়োগে মোটা অংকের অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাজী আইয়ুব হোসেনের বিরুদ্ধে। নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগেই জানা গেছে কে কোন পদে নিয়োগ পাচ্ছে। কম্পিউটার অপারেটর, নিরাপত্তা কর্মী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও নৈশ প্রহরী পদে মোটা অংকের অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ করেছেন ৫ সদস্য বিশিষ্ট নিয়োগ কমিটির অভিভাবক সদস্য টিক্কা চৌধুরী ও চাকুরী বষ্ণিত প্রার্থীরা।

জানা যায়,গত ২৩ জুলাই জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় কর্মচারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। পরীক্ষায় প্রথম হয়ে এবং বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে ১২ লক্ষ টাকা দিয়েও নিরাপত্তা কর্মী পদে চাকুরী পায়নি ইউনিয়নের তেবাড়ীয়া গ্রামের মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস।

অবশেষে তাকে ৮ লক্ষ টাকা ফেরত দিলেও বাকি টাকা দিতে বার বার তারিখ ফেলছে সভাপতি। চাকুরী বষ্ণিত প্রার্থীর চাচাত ভাই সুদাশ বিশ্বাস ১৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ পেয়েছেন বলে জানায় মৃত্যুঞ্জয়। বেশী টাকা পেয়ে সভাপতি তাকে বঞ্চিত করে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে।
নাম প্রকাশ না কারার শর্তে এলাকাবাসী ও স্কুল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জানান, এই নিয়োগে ডিজির প্রতিনিধি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে জনপ্রতি ৩০ হাজার টাকা দিলে সভাপতির সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। মোটা অংকের টাকার অর্থ বাণিজ্য হয়েছে বলে ব্যাপক গুঞ্জন আছে।

নিয়োগ বানিজ্যের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মৃনাল কান্তি তরফদার বলেন, ৪টি পদে মোট ২৭ জন প্রার্থী আবেদন করেছিল। আমার সাথে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে কারোর কোন কথা হয়নি।আমি অর্থ নিয়ে নিয়োগের সম্পূর্ণ বিপক্ষে। অন্য কেউ কিছু করেছে কিনা আমার জানা নেই। তবে সভাপতির নিকট স্কুলের প্রয়োজনে কিছু মালামাল দাবী করে না পাওয়ায় আমি রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিনি।

স্কুলের সভাপতি ও চেয়ারম্যান কাজী আই্য়ুব হোসেন আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে প্রার্থী নিয়োগ হয়েছে। কোন অর্থ বানিজ্য হয়নি। তবে যারা নিয়োগ পেয়েছে স্কুলের স্বার্থে তাদের নিকট থেকে কিছু অনুদান নেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহনের বিষয়টি মিথ্যা অবিহিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহাজাহান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত নিয়োগ বাণিজ্যের বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি, পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।