১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়া’বেটিস দিবসঃ ডায়া’বেটিস নিয়’ন্ত্রণে সচে’তনতা

99
8
১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়া'বেটিস দিবসঃ ডায়া'বেটিস নিয়'ন্ত্রণে সচে'তনতা
১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়া'বেটিস দিবসঃ ডায়া'বেটিস নিয়'ন্ত্রণে সচে'তনতা

ডা. এম মামুন

১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডা’য়াবেটিস দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ১৪ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ডায়া’বেটিস দিবস পালিত হয়ে আসছে। বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের স্বা’স্থ্যসে’বা প্রদা’নের ক্ষেত্রে দৃ’ঢ় প্রতি’জ্ঞ। আন্তর্জাতিক ডা’য়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) ২০২০ সালের বিশ্ব ডা’য়াবেটিস দিবসের জন্য থিম নির্ধারণ করেছেন, “The Nu’rse and Dia’betes” এ বছরের প্রতিপাদ্য ডায়া’বেটিস নিয়’ন্ত্রণ ও ব্য’বস্থাপনার ব্যাপারে না’র্সের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে পারলে ডা’য়াবেটিসের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রো’গ নি’য়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ডায়া’বেটিস প্রতিরো’ধ ও নিয়ন্ত্র’ণে সচে’তনতা বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে সবচেয়ে উদ্বেগজনক ১০টি স্বা’স্থ্য সম’স্যার মধ্যে অন্যতম ডায়া’বেটিস। পৃথিবীতে এ মুহূ’র্তে ৪০ কোটি লোক ডায়া’বেটিসে আক্রা’ন্ত। বাংলাদেশে ডা’য়াবেটিসে আ’ক্রান্ত রো’গীর সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখ, বছরে বাড়ছে আরও ১ লাখ রো’গী। আন্তর্জাতিক ডা’য়াবে’টিস ফেডারেশনের মতে, প্রতি দুজন ডায়া’বেটিস আক্রা’ন্ত মানুষের মধ্যে একজন জানেই না সে ডা’য়াবেটিসে আক্রা’ন্ত হচ্ছে। একজন প্রাপ্তব’য়স্ক ডায়া’বেটিস আ’ক্রান্ত মানুষের আকস্মি’ক মৃ’ত্যুর আশ’ঙ্কা একজন সু’স্থ মানুষের চেয়ে ৫০ ভাগ বেশি। আ’শঙ্কা করা হচ্ছে যে, আগামী ৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে ডায়া’বেটিস রো’গীর সংখ্যা ৫৫ কোটি ছাড়িয়ে যাবে এবং ২০৪০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী মানু’ষের মৃ’ত্যুর পঞ্চ’ম কারণ হবে ডায়া’বেটিস। আর তখন মৃ’ত্যু বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে।

ভালো স্বা’স্থ্য সু’স্থ জী’বনের প্রতীক। ডা’য়াবেটিস রো’গের বিষয়ে সচে’তনতা একটি গু’রুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ নাগরিকের সুস্বা’স্থ্যের অভা’বে দেশের উৎপাদনশীলতা ক’মে যায় এবং এটি উন্নয়নের পথে অন্যতম অন্ত’রায়। এজন্য সরকার দেশব্যাপী স্বা’স্থ্য অবকাঠা’মো উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় ডা’ক্তা’র ও না’র্স নিয়োগসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে বিভিন্ন অ’সং’ক্রা’মক ব্যা’ধিসহ ডায়া’বেটিক রো’গ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে যা জনস্বা’স্থ্যের জন্য হু’মকিস্বরূপ। এ জটি’লতায় বাংলাদেশে মৃ’ত্যু ও প’ঙ্গু’ত্বের ঝুঁ’কি দিনে দিনে বাড়ছে।

শর্ক’রা, আমি’ষ, স্নে’হ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয় প্রকার খাবারের মধ্যে শেষের তিনটি পরিপা’কের প্রয়োজন হয় না। স্নে’হ জাতীয় খাবার পরিপা’ক শেষে বিভিন্ন প্রকার লি’পিড ও গ্লি’সা’রাইড তৈরি করে যা শরী’রে আ’ত্তীকৃ’ত হয়। আ’মিষ হতে বিভিন্ন এমা’ইনো এ’সিড তৈরি হয়ে দে’হে আ’ত্তীকরণ ঘটে। পরিপা’ক শেষে শ’র্করা গ্লুকো’জ বা সু’ক্রো’জে রূপান্তরিত হয়। অপেক্ষাকৃত সরল আ’নবিক গঠনের গ্লুকো’জ দে’হে শো’ষিত হয়। শ্ব’সন প্রক্রিয়ায় গ্লু’কোজ ভে’ঙ্গে কা’র্বনডাই অ’ক্সাইড, পানি ও শ’ক্তি উৎ’পাদন কর। গ্লুকো’জের জা’রণ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শ’ক্তিই মূলত মানুষ এবং সমস্ত প্রা’ণিদে’হের সকল শ’ক্তির যো’গান দেয়। স্নে’হ জাতীয় খাবারও দে’হে শ’ক্তি যোগায়, তবে এক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটা একটু জ’টিল এবং সময় সাপেক্ষে। মানবদে’হে জরু’রি প্রয়োজনে শ’ক্তির যোগান দিয়ে থাকে গ্লু’কোজ।

কা’র্বোহাই’ড্রেট বা শ’র্করা জাতীয় বস্তু পরিপা’ক হয়ে সরাসরি শ্ব’সন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় না। শর্করা জাতীয় খাবার পরিপা’ক শেষে বিশ্লিষ্ট হয়ে অপেক্ষাকৃত সরল আন’বিক গঠন বিশিষ্ট গ্লুকো’জ অ’নু উৎপন্ন করে। এই গ্লুকো’জ পা’কস্থ’লীর ক্ষু’দ্রান্তে শো’ষিত হয়ে র’ক্তর’স দ্বারা বা’হিত হয়ে দে’হের বিভিন্ন কো’ষে পৌঁছায় এবং শ্ব’সন প্রক্রিয়ায় জা’রিত হয়ে শ’ক্তি উৎপাদন করে। বা’ড়তি গ্লুকো’জের কয়েক হাজার অ’নু একত্রিয় হয়ে গ্লা’ইকো’জেন ও স্টা’র্চ নামক গ্লুকো’জের প’লিমার গঠন করে। গ্লা’ইকো’জেন ও স্টা’র্চ লিভা’র/যকৃ’তে সঞ্চিত থাকে এবং দে’হের প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় র’ক্তে প্রবেশ করে এবং শ্ব’সন প্রক্রিয়ায় শ’ক্তি তৈরিতে অংশ নেয়। গ্লু’কোজ হতে গ্লা’ইকো’জেন বা স্টা’র্চ (গ্লুকো’জের প’লিমার) গঠনে প্র’ভাবক হিসেবে কাজ করে অ’গ্না’শয় নিঃ’সৃ’ত হ’রমো’ন ই’নসু’লিন। যাদের অ’গ্নাশ’য়ে ই’নসু’লিনের উ’ৎপাদন হ্রা’স পায় বা ব’ন্ধ হয়ে যায় তাঁদের র’ক্তের গ্লু’কোজ হতে গ্লা’ইকো’জেন বা স্টা’র্চ উৎপাদনও ব্য’হত হয় অথবা ব’ন্ধ হয়ে যায়। ফলে বা’ড়তি সু’গার/গ্লুকো’জ লিভা’রে সঞ্চিত না হয়ে র’ক্তেই থেকে যায়। ফলে র’ক্তর’সে গ্লুকো’জ/সু’গারের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। এই অবস্থাকেই বলা হয় ডায়া’বে’টিস। আমাদের শ’রীরে সাধারণত গ্লুকো’জের পরিমাণ ৩.৩ থেকে ৬.৯ মিলি. মোল/লি. থাকে। খা’লি পে’টে যদি ৭ মিলি. মোল/লি. এবং খা’বার গ্র’হণের পর ১১ এর বেশি থাকে তবে ডায়া’বেটিস রো’গ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

ডায়া’বেটিস রো’গটি যে-কোনো ব’য়সের মানুষের হতে পারে। ডা’য়াবেটিস রো’গ হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য প্রতীয়মান থাকে যেমন- ঘ’ন ঘ’ন প্র’সাব হওয়া, মু’খ ও গ’লা শু’কিয়ে যাওয়া; দু’র্বলতা, ক্ষু’ধা লাগা, ও’জন ক’মে যাওয়া, কি’ডনি, চো’খসহ দে’হের বিভিন্ন অ’ঙ্গ-প্রত্য’ঙ্গে জ’টিলতা দে’খা দিতে পারে। ডায়া’বেটিস রো’গীর শারী’রিক জটি’লতা অনেক তবে এটি প্রতিরো’ধ করা সম্ভব। স্বা’স্থ্যসম্মত জীব’নাচর’ণের এ রো’গ নি’য়ন্ত্রণে রেখে কর্মমুখর জীব’নযা’পন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সচে’তনতা বা’ড়াতে হবে।

-২-
ডায়া’বেটিস আ’ক্রান্ত হলে সর্ব প্রথম খা’দ্যাভ্যা’সের পরিবর্তন করতে হবে। সাথে সাথে কায়িক পরি’শ্রমের মাধ্যমে এ রো’গ নিয়’ন্ত্রণে রাখতে হবে। এ রো’গে আ’ক্রান্ত হ’লে র’ক্তের গ্লু’কো’জের পরিমাণ নিয়’ন্ত্রণের মাধ্যমে এ রো’গ নি’য়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এজন্য প্রথমেই দরকার কার্বো’হাইড্রেট/শ’র্করা জাতীয় খাবার যেমন মিষ্টি জাতীয় খাবা’র, ভাত, আলু, সুজি, রুটি ইত্যাদি খাবা’র পরিমাণ মতো খে’তে হবে। মিষ্টি জাতীয় খাবা’র একেবারেই পরি’হা’র করা উচিৎ। পক্ষান্তরে বেশি করে শাক সবজি ও ফলমূল খেতে হবে। আঁ’শ জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। তে’ল ও চ’র্বি জাতীয় খাবার ও ফা’স্ট ফু’ড ও কো’ল্ড ড্রিংকস পরিহা’র করতে হবে। মনে রাখতে হবে, নিয়’ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীব’ন যা’পন এ রো’গের ক্ষ’তিকর প্র’ভাব হতে আমাদেরকে র’ক্ষা করতে সক্ষম।

ডা’য়াবেটিস অনি’রাম’য়যোগ্য কিছু নিয়’ন্ত্রণযোগ্য রো’গ। এ রো’গে একবার আ’ক্রান্ত হয়ে তা আর ভালো হয় না। কিন্তু নিয়’ন্ত্রত খাদ্যাভ্যাস, সঠিক চিকি’ৎসা, পর্যাপ্ত কায়িক শ্রম এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ জী’বনযা’পন এ রো’গে আ’ক্রা’ন্ত ব্য’ক্তিকে রাখতে পারে সু’স্থ এবং করতে পারে দী’র্ঘা’য়ু। ডায়া’বেটিসের সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হয় অ’তিরিক্ত মা’নসিক চা’প, কম শা’রীরিক পরিশ্রম, বড়ো ধরনের আঘা’ত, সং’ক্রাম’ক রো’গ, অ’স্ত্রোপা’চার, অস’ম ও অনিয়’ন্ত্রিত খা’দ্যাভ্যাস, অবে’সিটি বা স্থূ’লতা এবং বং’শগ’ত কারণে এ রো’গ হয়ে থাকে। মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহা’র করা বাঞ্চনীয় কিন্তু মিষ্টি জাতীয় খাবার এ রো’গের কারণ নয়।

ডায়া’বেটিসকে কয়েকটি ভা’গে ভা’গ করা যায়। প্রথমটির ক্ষেত্রে এই ধরনের রো’গীর দে’হে ই’নসুলি’ন একেবারেই তৈরি হয় না। সাধারণত ৩০ বছরের কম ব’য়সে এটি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রো’গীর শ’রীর ক্র’মান্বয়ে শু’কিয়ে যেতে পারে এবং ই’নসু’লিন নিতেই হয়। দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে ৩০ বছরের বেশি ব’য়সে এ রো’গ হতে পারে, এ রো’গীর ক্ষেত্রে দে’হে ই’নসু’লিন তৈরি হলেও অ’প’র্যাপ্ত, তবে এ ধরনের রো’গীর সবসময়ই ই’নসু’লিন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা থাকে না। ব্যা’য়াম, উপযুক্ত খা’দ্যাভ্যা’স, নিয়’মমা’ফিক প্রাত্যহিক জীব’নযা’পনে নিয়’ন্ত্রণে থাকা সম্ভব। এ ধরনের রো’গীরা স্থূ’লকায় হয়ে পড়ে। এ ছাড়াও জে’নেটিক কারণে, অ’গ্নাশ’য়ের বিভিন্ন রো’গের কারণে এ রো’গ হতে পারে, এ সব কারণে ডায়া’বেটিস যাদের থাকে তারা অপু’ষ্টিতে ভো’গে এবং ধী’রে ধী’রে শা’রীরি’কভাবে দু’র্বল হয়ে শু’কিয়ে যেতে থাকে। আরেক ধরনের ডা’য়াবেটিস হয় গ’র্ভকা’লীন সময়ে প্রসূ’তিদের ক্ষেত্রে। বেশির ভাগ সময়ে এ ডায়া’বেটিস প্রস’বের পর থাকে না। তবে এক্ষেত্রে ভ্রু’ণের সদ্য প্রসূ’ত সন্তা’নের ক্ষ’তি হতে পারে।

অ’নিয়’ন্ত্রিত ডায়া’বেটিসের ফলে মানুষ প’ক্ষাঘা’ত, হৃ’দরো’গ, চ’ক্ষুরো’গ, পঁ’চন’শীল ক্ষ’ত, মা’ড়ির প্র’দাহ, অ্যাক’জিমা, মু’ত্রা’শয়ের রোগ, কি’ডনি জটি’লতাসহ নানা ধরনের রো’গ হতে পারে। বর্তমান বিশ্বে ডায়া’বেটিস নিঃ’সন্দে’হে মারা’ত্মক তবে ছোঁ’য়াচে নয়। আগে একসময় ঘ’ন ঘ’ন প্রস্রা’ব হলে ডায়া’বেটিস হয়েছে বলে ধরে নেয়া হতো। গবেষণায় এটি ভু’ল প্রমাণিত। কেবল র’ক্তে গ্লু’কোজের মাত্রা পরী’ক্ষা করেই রো’গ শনাক্ত করা সম্ভব। ডায়া’বেটিস রোগীর দে’হে যে-কোনো ক্ষ’ত শু’কাতে সময় লাগে। সবচেয়ে বেশি ক্ষ’ত হয় পায়ে। ডা’য়াবে’টিস রো’গীর ব্রে’ইন স্ট্রো’ক হয়, কি’ডনি, চো’খ ইত্যাদি অ’ঙ্গের ক্ষ’তি হয় তবে *পা’য়ের য’ত্ন করতে হয় বেশি, কারণ পচ’ন শুকা’তে দেরি হয় বলে সাধারণ মানুষের তুলনায় *পা কে’টে ফে’লার প্রব’ণতা থাকে বেশি। র’ক্তে গ্লুকো’জের পরিমাণের তা’রত’ম্যে ডায়া’বেটিস কম-বেশি হয়। খুব বাড়লে হা’ইপা’র এবং কমে গেলে হাই’পো বলা হয়। দুটোই স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তি। ই’নসু’লিন যারা নিয়ে থাকেন তাদের অবশ্যই ডা’ক্তারের পরামর্শে ডো’জ নির্ধারণ করে নিতে হবে।

সরকার ডায়া’বেটিস আক্রা’ন্ত রো’গীদের যথাযথ চিকি’ৎসায় সর্বদা তৎপর রয়েছে। সরকারি হাসপা’তালে ভ’র্তি ডায়া’বেটিস রো’গীদেরকে বিনামূল্যে ই’নসু’লিন সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকারি হাসপা’তাল ও চিকি’ৎসা কেন্দ্র হতে হাসপা’তালে ভ’র্তি নন এমন রো’গীদেরকে হ্রা’সকৃত মূল্যে ই’ন’সুলি’ন দেওয়া হচ্ছে। এ রো’গে আ’ক্রা’ন্তদের বিনামূল্যে চিকি’ৎসার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাউন্সে’লিং করা হচ্ছে যেন তারা নিজেরাই রো’গ নিয়’ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। বা’রডেম এর আদলে দেশের বিভিন্ন জেলায় ডায়া’বেটিস রো’গীদের চিকি’ৎসার জন্য বিশে’ষায়িত হাসপা’তাল নির্মাণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে। এ রো’গ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে স্বা’স্থ্য মন্ত্রণালয়াধীন স্বা’স্থ্যশিক্ষা বিভাগ নির’ন্তর কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ রো’গ সম্পর্কে জনসচে’তনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা স্বা’স্থ্য কমপ্লে’ক্সে ডা’য়াবে’টিক রো’গীদের সেবায় নেয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা।

ডায়াবে’টিস একটি নীর’ব ঘা’তক। সরাসরি এ রো’গে মানুষের মৃ’ত্যুর হার তুলনামূলক কম হলেও পরো’ক্ষভাবে এর কারণে লক্ষ লক্ষ লোকের প্রা’ণহা’নি ঘটে বিশ্বব্যাপী। কারণ এর প্রভা’বে দে’হে হাজারো রো’গ বাসা বাঁ’ধে। এসব রো’গেই মূলত মা’রা যায় ডায়া’বেটিস রো’গী। হাজারো প্রতি’কূ’লতা সত্ত্বেও পরিমি’ত আহা’র, নিয়’ন্ত্রিত জী’বন যা’পন, সঠিক খা’দ্যাভ্যা’স, পর্যাপ্ত ব্যা’য়াম ও কা’য়িক শ্র’ম, সর্বোপরি সঠিক চিকি’ৎসা ডা’য়াবেটিস রো’গীকে রাখতে পারে অনেকটাই সু’স্থ এবং এনে দিতে পারে র্দী’ঘা’য়ু জী’বন। প্রতি’কার নয়, প্রতিরো’ধ এবং নি’য়ন্ত্রণই এ রো’গের সর্বো’ত্তম চিকি’ৎসা। সচেত’নতাই পারে মানুষকে এ রো’গের য’ন্ত্রনা থেকে মু’ক্ত করতে।

99 COMMENTS

  1. Hi, I think your site might be having browser compatibility issues. When I look at your website in Safari, it looks fine but when opening in Internet Explorer, it has some overlapping. I just wanted to give you a quick heads up! Other then that, fantastic blog!

  2. You really make it seem really easy together with your presentation but I to find this matter to be really one thing which I think I might never understand. It sort of feels too complicated and extremely vast for me. I am taking a look forward on your subsequent post, I will attempt to get the cling of it!

  3. I precisely needed to thank you so much once again. I’m not certain the things I could possibly have made to happen in the absence of those points revealed by you directly on such subject. It actually was a horrifying problem for me, but finding out a expert style you processed it took me to jump over contentment. Extremely thankful for this information as well as believe you are aware of a powerful job you are always getting into educating the rest with the aid of your web page. I’m certain you haven’t come across all of us.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here