উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার ফলাফল

1287
10

স্টাফ রিপোর্টার

রোববার (১০ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার থেকে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা শুরু করেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রায়গঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমরুল হাসান তালুকদার ইমন নৌকা প্রতীকে ৭৯ হাজার ৩৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম হোসেন সরকার শোভন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৫৩ ভোট।

চৌহালীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফারুক হোসেন সরকার নৌকা প্রতীকে ৩৪ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৯ হাজার ৭৫৪ ভোট পেয়েছেন।

শাহজাদপুরে ১৩৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ভোট জালিয়াতির অভিযোগে দু’টি কেন্দ্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়। বাকি ১৩৭টি কেন্দ্রের আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যক্ষ আজাদ রহমান দুই লাখ ১৯ হাজার ৬২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুক্তার হাসান লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৯৮ ভোট।

তাড়াশ উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি দোয়াত কলম প্রতীকে ৩৯ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সঞ্জিত কুমার কর্মকার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৪৪৫ ভোট।

অপরদিকে বেলকুচি উপজেলায় দু’দফা ভোট গণনা শেষে রাত ১টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম সাজেদুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নুরুল ইসলাম সাজেদুল দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর সেরাজুল ইসলাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭২৩ ভোট।

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে জেলার আটটি উপজেলায় ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে উল্লাপাড়া উপজেলার ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়। বাকি ৭ উপজেলার মধ্য চেয়ারম্যান পদে দু’টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। এছাড়া, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাতটি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।