নড়াইলে তিন শতাধিক গাছ কাটার মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ

0
37
নড়াইলে তিন শতাধিক গাছ কাটার মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ
নড়াইলে তিন শতাধিক গাছ কাটার মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার

নড়াইলে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের ২০ শতাংশ জমির তিন’শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামের বাসিন্দা জাহিদুর রহমান জানান, গত ১৩মে লোহাগড়া থানায় মামলা দিতে গেলে পুলিশ মামলাটি রেখে দিলেও এখনও তা এজাহারভূক্ত হয়নি।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, শিক্ষক জাহিদুর রহমান ২০০৮ সালের ৭ফেব্রুয়ারী পাংখারচর মৌজার এসএ ৪৫৬২ দাগে ২০ শতাংশ জমি (কোবলা দলিল নং-৫০০/২০০৮) ক্রয় করে ওই জায়গায় মেহগিনি, শিরিষসহ ৩ শতাধিক বনজ গাছ রোপন করেন। বর্তমানে ওই গাছের মূল্য ছিল ২ লাখ টাকার বেশী। গত ১০মে একই এলাকার মৃত কাজী নজির আহম্মেদের পূত্র কাজী নাসির আহম্মেদ (৫০) লোকজন নিয়ে জমি দখলের উদ্যেশ্যে ওই জমির সমস্ত গাছ কেটে অধিকাংশ গাছ বিক্রি করে ফেলে এবং কিছু গাছ জমিতে ছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি গত ১২মে নিজ বাড়িতে এসে ওই জমিতে গেলে নাসির আহম্মেদ এ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে এবং জমির মালিকানা ছেড়ে দিতে বলেন,না দিলে জীবননাশের হুমকি প্রদান করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যাবিদ্যলয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইজ্ঞিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক পাংখারচর গ্রামের বাসিন্দা কাজী জাহিদুর রহমান বলেন, আমি ২০০৮ সালে ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে জমিতে গাছ লাগিয়েছি এবং জমির ভোগ-দখল করছি। এখন হটাৎ কওে নাসির ও তার লোকজন তিন শতাধিক গাছ কেটে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় ১৩মে বিকেলে লোহাগড়া থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রথমে আশ্বাস দিলেও পরে মামলা নেননি। তিনি মামলাটি আদালতে করার পরামর্শ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত কাজী নাসির আহম্মেদ বলেন, পাংখারচর মৌজার ৪৫৬২ দাগে মোট জমি রয়েছে ১০১ শতাংশ। এর মধ্যে আমাদের নামে রয়েছে ৪২ শতাংশ। এ জমির পাশে ৪৫৬৩ দাগে আমার নামে রয়েছে ১শ ১৩ শতাংশ জমি। এ দু’টি দাগেই আমার শতাধিক গাছ-গাছালি রয়েছে। কাজী জাহিদ যে গাছ কাটার ছবি দিয়েছে তা আমার জমির গাছের ছবি। এছাড়া ৪৫৬২ দাগে তার জমি কোন অংশে রয়েছে তা বের করতে গেলে জমির পার্টিশান মামলা করতে হবে বলে জানান।

লোহাগড়া থাকার ওসি শেখ আবু হেনা মিলনকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, পাংখারচর গ্রামে এ জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ আছে। এখন ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলবো, তাই বলে ফোন কেটে দেন।