নড়াইলে এক এমপি পদপ্রার্থীর গণ সংযোগকালে গাড়ী ভাংচুর, আহত ৩০

0
26
নড়াইলে অগ্নিকান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার

আগামী দ্বাদশ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী লেঃ কমান্ডার (অব) এম এ আবদুল্লাহ গণ সংযোগকালে সন্ত্রাসীরা দু’টি মাইক্রোবাস ও ১০-১২টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করেছে। এ সময় তারা কয়েক রাউন্ড গুলি ও ককটেলের বিষ্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় লোহাগড়া উপজেলা আ’লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব, আকফান মোল্যা, মাইক্রোবাসের ড্রাইভার শেখ রাসেল, ড্রাইভার আবদুল্লাহ, রাজ কাজীসহ প্রায় ৩০জন আহত হয়েছে। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের আলোকদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

নড়াইল-২ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী লোহাগড়া এলাকার বাসিন্দা জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এম এ আবদুল্লাহ সন্ধ্যার দিকে অভিযোগ করে এ প্রতিনিধিকে জানান, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বুধবার বিকেলে সদরের শাহাবাদ ও মাইজপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার এলাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগনের সামনে তুলে ধরার জন্য প্রোগ্রাম ছিল। এরই অংশ হিসেবে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ২টি মাইক্রোবাস ও ৩শ মোটরসাইকেল নিয়ে শাহাবাদ এলাকার আলোকদিয়া এলাকায় পৌঁছালে ১৫-২০ জনের এক অচেনা সশস্ত্র গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের গাড়ী বহরের সামনে এসে আমাকে প্রশ্ন করে বলে ,কোথায় যাচ্ছেন ? আমি কর্মসূচীর কথা বললে তারা বলে, এখানেতো একজন এমপি আছে, আবার তুই এসেছিস কেনো ? এই বলে আমাকে লাঠি দিয়ে কয়েকটি আঘাত কওে এবং আমার ঘড়ি ভেঙ্গে ফেলে। এ ঘটনায় ২টি মাইক্রোবাস, ১০-১২টি মোটরসাইকেল এবং প্রায় ৩০জন আহত হয়েছে। তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে ও ককটেলের বিষ্ফোরণ ঘটিয়েছে। বিষয়টি আমি সরাসরি এসপি অফিসে এসে এসপি ও অতিরিক্ত এসপিকে জানিয়েছি। এছাড়া জেলা আলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলুকেও জানিয়েছি। পরে এ আসনের এমপি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা “আমাকে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আপনি প্রচার করবেন এটাই স্বাভাবিক। এরপর প্রচার করতে আসলে আমি আপনাকে সহায়তা করবো”।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক স্বপ্নীল আকাশ নীল বলেন, যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে সেটা জামায়াত-বিএনপি এলাকা। আমাদেও ধারনা এটি জামায়াত ও বিএনপি করে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসকে ফোন করলে তিনি বিষয়টি জানেননা বলে জানান। সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলুকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) তারেক আল মেহেদী বলেন, ভুক্তভোগিরা মৌখিকভাবে এ ঘটনার একটি অভিযোগ করেছেন। লিখিতভাবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি গুলি ও ককটেলেও বিষয়টি জানেননা বলে জানান।