নড়াইলের কালিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে ক/টাক্ষ করায় শিক্ষক লা/ঞ্ছিত!

0
91

স্টাফ রিপোর্টার

নড়াইলের কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে চাঁচুড়ী গ্রামের বাসিন্দা প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনোয়ার হোসেনের নামে অশ্লী/ল ভাষায় ক/টাক্ষ করার প্রতিবা/দে এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছে জনতা। রোববার দুপুর ১২.০০ টার দিকে উপজেলার চাঁচুড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। প্রয়াত এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মুনির হোসেনের বাবা। স্থানীয়ভাবে প্রতিবাদে বিক্ষো/ভে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

জানা যায়, চাঁচুড়ী হাট-বাজারের ইজারাদার আনুর মোহাম্মদের নিকট চাঁ/দাদাবির ঘটনা নিয়ে রোববার দুপুর ১২.০০ টার দিকে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদার মধ্যস্থতায় বাজারের ব্যবসায়ী এবারত শেখের দোকানে অনুষ্ঠিত এক শা/লিস বৈঠকে অভিযুক্ত শিক্ষক ও বিএনপি নেতা আশরাফুল ইসলাম অপ্রাসঙ্গিকভাবে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আনোয়ার হোসেনকে অশ্লী/ল ভাষায় গা/লি দিয়ে ক/টাক্ষ করেন।

এ সময় উপস্থিত ওই মুক্তিযোদ্ধার চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা আল্ শাহরিয়ার কামাল আশরাফুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে পায়ের জু/তা নিক্ষে/প করেন। সঙ্গে সঙ্গেই উত্তেজিত জনতা বিত/র্কিত শিক্ষক আশরাফুলের দিকে চেয়ার ছুঁ/ড়ে মারেন। পরে নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়সহ ডিবি পুলিশ ঘটনা স্থলে পোঁছালে পরিবেশ শান্ত হয়। লা/ঞ্ছনার শি/কার আশরাফুল চাঁচুড়ী পুরুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস হোসেন মোল্যা বলেন, ‘একজন শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার নামে ক/টুক্তি করা খুবই দুঃখজনক। এঘটনার নি/ন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

একই প্রসঙ্গে চাঁচুড়ী ইউনিয়ন আ’লীগের নেতা হায়দার মোল্যা বলেন, ‘ইউএনও এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধাকে যে ভাষায় গা/লি দিয়েছে, এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। অবিলম্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ক/টাক্ষকারী শিক্ষককে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি দৃষ্টান্তমূলক শা/স্তির দাবি করে আরো বলেন, তিনি সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অ/পমান করেছেন। প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলনের হু/শিয়ারী দেন তিনি।’

কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, ‘চাঁচুড়ী হাট-বাজারের খাজনা (টোল) আদায় করাকে কেন্দ্র করে ইজারাদার ও স্থানীয় এক শিক্ষকের সঙ্গে কিছু অপ্রী/তিকর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মী/মাংসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কাউকে কটাক্ষ করে কিছু বলিনি। দুই পক্ষের মধ্যে কথা কা/টাকা/টি ও উ/ত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটি মীমাংসা করে দেন।’ প্রসঙ্গত, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আনোয়ার হোসেনের ছেলেদের সঙ্গে রা/জাকার পরিবারের সন্তান আশরাফুলের দীর্ঘদিন ধরে দ্ব/ন্দ্ব-ফ্যা/সাদ চলে আসছে।

নড়াইলের কালিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে কটাক্ষ করায় শিক্ষক লাঞ্চিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here