সামাজিক বিরো*ধ নিষ্পত্তির পর চালিঘাট ও গন্ডব গ্রামবাসী অ*স্ত্র জমা দিলেন পুলিশের কাছে

3
46
সামাজিক বিরো*ধ নিষ্পত্তির পর চালিঘাট ও গন্ডব গ্রামবাসী অ*স্ত্র জমা দিলেন পুলিশের কাছে
সামাজিক বিরো*ধ নিষ্পত্তির পর চালিঘাট ও গন্ডব গ্রামবাসী অ*স্ত্র জমা দিলেন পুলিশের কাছে

স্টাফ রিপোর্টার

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের চালিঘাট ও গন্ডব গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সামাজিক বিরো*ধ নিষ্পত্তির পর দুটি তাদের দেশীয় অ*স্ত্রশ*স্ত্রাদি জমা দিলেন পুলিশের কাছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমানের নিকট দু’টি গ্রুপের মাতব্বরা ৩৫টি ঢা*ল ও দেড় শতাধিক সড়*কি তুলে দেন। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আর কোন মা*রামা*রি করবে না বলে উভয়পক্ষ অঙ্গীকার করেন।

গন্ডব গ্রামের ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় একটি গ্রুপের মাতব্বর মোঃ মিরাজ মোল্যা ও আহম্মেদ আলী মোল্যা ২০টি ঢা*ল ও শ*তাধিক স*ড়কি জমা দেন পুলিশের কাছে। এছাড়া গন্ডব বটতলায় অপর গ্রুপের মাতব্বর ইউপি সদস্য সলেমান শেখ ১৫টি ঢা*ল ও প্রায় ৫০টি স*ড়কি জমা দেন।

দেশীয় অ*স্ত্র জমাদানকালে জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বিপ্লব বলেন, ‘এলাকায় যাতে উভয়পক্ষ মিলে-মিশে থাকে এবং শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে সে চেষ্টাই থাকবে। দ্ব*ন্দ্ব ভুলে সামাজি সম্প্রীতির মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা কাজ করতে চাই।’

লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমরা চাই এলাকায় শান্তি শৃংখলা বজায় থাকুক। মা*রামা*রি করে ক্ষতি ছাড়া কোন লাভ নেই। মা*রামা*রির ঘটনা ঘটলে মামলা হবে। বর্তমান ডিজিটাল যুগ। কারো নামে মামলা থাকলে পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাক না কেন। কম্পিউটারে চাপ দিলেই তার নামে মামলা-মোকদ্দমার সব তথ্য দেখা যাবে। তখন সরকারী চাকুরী হবে না, কেউ পাসপোর্ট করতে পারবেনা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সও পাবে না। সরকারী অনেক সুযোগ সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হবেন। তাই দীর্ঘদিনের মানসিকতা পরিবর্তন করে নিজেদের সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। এসব সন্তানরা চাকুরী করে পরিবার তথা এলাকার উন্নয়ন ঘটবে।

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশ*ত্রুতার জের ধরে চালিঘাট ও গন্ডবগ্রামের সমন্বয়ে দু’টি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরো*ধ চলে আসছে। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন জেলা পরিষদের সদস্য গন্ডব গ্রামের সুলতান মাহমুদ বিপ্লব, ইউপি সদস্য সলেমান শেখ, আশরাফ আলী মাষ্টার ও সাহেব সিকদার। অপরপক্ষের নেতৃত্ব দেন গন্ডব গ্রামের মিরাজ মোল্যা, আহম্মেদ আলী মোল্যা ও মোস্তফা ডাক্তার।