বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির মেলবন্ধনে সমাবেশ ও র‍্যালি

0
5
বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির মেলবন্ধনে সমাবেশ ও র‍্যালি
বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির মেলবন্ধনে সমাবেশ ও র‍্যালি

হলি সিয়াম শ্রাবণ

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এক মঞ্চে সকল ধর্মের মানুষের সমন্বয়ে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সামাজিক সম্প্রীতি র‍্যালির মধ্য দিয়ে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় সকল ধর্মের মানুষের হাতে ছিল নানা সম্প্রীতির শ্লোগান সংবলিত প্লে কার্ড।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফের সভাপতিত্বে র‍্যালি পরবর্তী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোফাজ্জল হোসেন খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোসাঃ নিকহাত আরা, উপজেলা আওয়ামীলীগ ভারপ্রাপ্ত সাবেক সভাপতি ডাঃ হেলাল উদ্দিন আহমেদ, গৌরীপুর থানার অফিসার ইন চার্জ খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সালমা আক্তার রুবি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, খ্রিষ্টান মিশনের পুরোহিত, ধর্মযাজক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, পুলিশ ও সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।

এ সময় সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বক্তব্য রাখেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোফাজ্জল হোসেন খান বলেন- কোনো ধর্মই সংঘাতকে সমর্থন করে না। যারা ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়েছে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব বা সংঘাতের সৃষ্টি করছে তারা ধর্মের শত্রু। এদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে। এ বন্ধন অটুট রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোসাঃ নিকহাত আরা বলেন- কেউ কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। ভবিষ্যতে কেউ যদি এই ধরনের অন্যায় কাজে লিপ্ত থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ বলেন- গৌরীপুর উপজেলায় এর আগে কখনো কোনো ধর্মের মানুষের সঙ্গে সংঘাত হয়নি। তাই আমাদের এ উপজেলায় সামাজিক সম্প্রীতি যাতে বিনষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া কোনো অপশক্তি যেন আমাদের বন্ধন ছিন্ন করতে না পারে এজন্য উপজেলা প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে। সমাবেশে ইমাম, পুরোহিত, ধর্মযাজকগণ একে অপরের হাতে উপহার তুলে দেন।